ব্যাকরণের অনেক ব্যাখ্যা বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে, কারণ সেখানে দুটি আলাদা প্রশ্নকে একসঙ্গে মিশিয়ে ফেলা হয়:
- এটি কী ধরনের শব্দ বা অভিব্যক্তি?
- এই নির্দিষ্ট বাক্যে এটি কী কাজ করছে?
প্রথম প্রশ্নটি শব্দশ্রেণি নিয়ে। প্রচলিতভাবে এই শ্রেণিগুলোকে পদ বা parts of speech বলা হয়।
দ্বিতীয় প্রশ্নটি বাক্যগত ভূমিকা, বাক্যতাত্ত্বিক ভূমিকা বা ব্যাকরণগত সম্পর্ক নিয়ে।
এই দুই স্তরের পার্থক্য বোঝা ব্যাকরণ শেখার সবচেয়ে কার্যকর ভিত্তিগুলোর একটি—শুধু ইংরেজিতে নয়, অন্যান্য ভাষাতেও।
দুটি আলাদা প্রশ্ন: এটি কী, আর এটি কী কাজ করে?
এই বাক্যগুলোতে Daniel শব্দটি লক্ষ করুন:
Daniel called Sarah.
Sarah called Daniel.
Sarah spoke to Daniel.
This is Daniel’s book.
প্রতিটি উদাহরণেই Daniel একটি সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য। এর শব্দশ্রেণি বদলায়নি।
কিন্তু বাক্যে এর ভূমিকা বদলেছে:
- প্রথম বাক্যে Daniel হলো কর্তা (subject);
- দ্বিতীয় বাক্যে এটি কর্ম (object);
- তৃতীয় বাক্যে এটি একটি প্রিপজিশন-যুক্ত পদগুচ্ছের (prepositional phrase) অংশ;
- চতুর্থ বাক্যে এটি মালিকানা প্রকাশ করছে।
এখান থেকেই মূল পার্থক্যটি বোঝা যায়:
- শব্দশ্রেণি বলে দেয় কোনো ভাষাগত উপাদান কী ধরনের;
- বাক্যগত ভূমিকা বলে দেয় সেই উপাদানটি একটি নির্দিষ্ট বাক্যে কী কাজ করছে।
দুটির মধ্যে সম্পর্ক আছে, কিন্তু তারা এক নয়।
বিশেষ্য প্রায়ই কর্তা বা কর্ম হিসেবে কাজ করে, তবে এটি কোনো পূরক, বিশেষক বা প্রিপজিশন-যুক্ত পদগুচ্ছের মধ্যেও থাকতে পারে। বিশেষণ প্রায়ই বিশেষ্য সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দেয়, তবে এটি বিধেয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।
তুলনা করুন:
the tired student
The student is tired.
উভয় বাক্যেই tired একটি বিশেষণ। প্রথমটিতে এটি student বিশেষ্যটি সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছে। দ্বিতীয়টিতে এটি is ক্রিয়ার মাধ্যমে কর্তাকে বর্ণনা করছে।
১. শব্দশ্রেণি: এটি কী ধরনের উপাদান?
ব্যাকরণগত আচরণ অনুযায়ী শব্দগুলোকে যে দলে ভাগ করা হয়, সেটিই শব্দশ্রেণি।
শব্দের অর্থ এখানে সাহায্য করে, কিন্তু শুধু অর্থই যথেষ্ট নয়। ভাষাবিজ্ঞানীরা এ ধরনের প্রশ্নও বিবেচনা করেন:
- শব্দটি কী কী রূপ নিতে পারে?
- বাক্যের কোথায় এটি বসতে পারে?
- এর সঙ্গে আর কোন কোন শব্দ ব্যবহার করা যায়?
- এটি কী ধরনের পদগুচ্ছ গঠন করতে পারে?
যেমন, ইংরেজিতে বিশেষ্য প্রায়ই আর্টিকেলের পরে বসতে পারে:
a book
the house
অনেক বিশেষ্যের বহুবচনও হয়:
book → books
house → houses
ইংরেজি ক্রিয়ার আচরণ আলাদা। কাল বা কর্তার সঙ্গে সঙ্গতি অনুযায়ী এগুলোর রূপ প্রায়ই বদলায়:
call → called
work → works
be → is, are, was, were
প্রচলিত পরিভাষা পদ (part of speech) এখনো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে। আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানে প্রায়ই শব্দশ্রেণি (word class) বা আভিধানিক শ্রেণি (lexical category) পরিভাষাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধান শব্দশ্রেণিগুলো
ব্যাকরণের বিভিন্ন ধারায় শ্রেণিবিভাগ কিছুটা আলাদা হয়, তবে নিচের শ্রেণিগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
বিশেষ্য
বিশেষ্য সাধারণত মানুষ, প্রাণী, বস্তু, স্থান, ঘটনা, পদার্থ বা বিমূর্ত ধারণা বোঝায়।
Sarah, teacher, dog, city, water, meeting, freedom
বিশেষ্য প্রায়ই কর্তা বা কর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে:
Sarah opened the door.
Sarah opened the door.
কিন্তু কোনো শব্দ বিশেষ্য হলেই তা কর্তা বা কর্ম হয়ে যায় না। সেটি নির্ভর করে বাক্যের ওপর।
ক্রিয়া
ক্রিয়া সাধারণত কাজ, ঘটনা, প্রক্রিয়া, অবস্থা বা সম্পর্ক প্রকাশ করে।
run, call, happen, change, know, exist, be
ইংরেজি উপবাক্যে ক্রিয়া সাধারণত ব্যাকরণগত কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে:
Sarah called Daniel.
The weather changed.
Daniel knows the answer.
তবে সব ক্রিয়া ইচ্ছাকৃত কোনো কাজ বোঝায় না। know, belong, exist ও seem-এর মতো ক্রিয়া কাজের বদলে অবস্থা বা সম্পর্ক বোঝায়।
বিশেষণ
বিশেষণ সাধারণত বৈশিষ্ট্য, গুণ বা শ্রেণিগত পরিচয় প্রকাশ করে।
tall, interesting, difficult, wooden, international
এগুলো বিশেষ্য সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দিতে পারে:
an interesting book
আবার be, seem বা become-এর মতো সংযোজক ক্রিয়ার পরেও বসতে পারে:
The book is interesting.
The task seems difficult.
ক্রিয়াবিশেষণ
ক্রিয়াবিশেষণ একটি বৈচিত্র্যময় শ্রেণি। এগুলো সময়, স্থান, ধরন, মাত্রা, পুনরাবৃত্তি বা বক্তার মনোভাব প্রকাশ করতে পারে।
yesterday, here, slowly, very, often, probably
উদাহরণ:
Sarah arrived yesterday.
Daniel spoke slowly.
The answer is probably correct.
-ly দিয়ে শেষ হওয়া প্রতিটি শব্দই ক্রিয়াবিশেষণ নয়, আবার প্রতিটি ক্রিয়াবিশেষণও -ly দিয়ে শেষ হয় না।
friendly — বিশেষণ
fast — বিশেষণ বা ক্রিয়াবিশেষণ
often — ক্রিয়াবিশেষণ
সর্বনাম
মানুষ, বস্তু, গোষ্ঠী বা ধারণার নাম বারবার না বলে সর্বনাম দিয়ে সেগুলোকে নির্দেশ করা হয়।
I, you, she, he, it, we, they, someone, who, this
তুলনা করুন:
Sarah called Daniel.
She called him.
ইংরেজি সর্বনামগুলো এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়ক, কারণ ব্যাকরণগত ভূমিকা অনুযায়ী এদের কয়েকটির রূপ বদলে যায়:
she called him
he called her
she ও her-এর রূপের পার্থক্য থেকে কে কর্তা আর কে কর্ম, তা বোঝা যায়।
নির্ধারক
নির্ধারক বিশেষ্য পদগুচ্ছের শুরুতে বসে। কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হচ্ছে, তার সংখ্যা কত বা সেটি কার—এসব নির্দিষ্ট করতে সাহায্য করে।
a, the, this, those, my, every, some, three
উদাহরণ:
the book
my phone
those students
three questions
প্রচলিত স্কুলের ব্যাকরণে কখনো কখনো এই শব্দগুলোর কয়েকটিকে বিশেষণ বা সর্বনামের সঙ্গে রাখা হয়। আধুনিক ইংরেজি ব্যাকরণে নির্ধারককে প্রায়ই আলাদা শ্রেণি হিসেবে দেখা হয়, কারণ এগুলোর আচরণ সাধারণ বিশেষণের চেয়ে আলাদা।
প্রিপজিশন
প্রিপজিশন স্থান, সময়, দিক, কারণ, উপায়, সঙ্গ এবং আরও নানা বিষয়ের সম্পর্ক প্রকাশ করে।
in, on, at, with, from, to, because of, under
উদাহরণ:
in the room
after lunch
with Daniel
because of the weather
একটি প্রিপজিশন সাধারণত একটি প্রিপজিশন-যুক্ত পদগুচ্ছের শুরুতে থাকে:
Sarah spoke to Daniel.
They met after work.
সংযোজক
সংযোজক শব্দ, পদগুচ্ছ বা উপবাক্যকে যুক্ত করে।
and, but, or, because, although, if
উদাহরণ:
Sarah and Daniel
tired but happy
We stayed inside because it was raining.
সহায়ক ক্রিয়া
সহায়ক ক্রিয়া প্রশ্ন, নঞর্থক বাক্য, কাল, ক্রিয়ার পর্যায় (aspect), বাচ্য ও ভাব (modality) গঠনে সাহায্য করে।
be, have, do, can, may, must, will
উদাহরণ:
Sarah is working.
Daniel has finished.
Did Sarah call?
You must leave.
be, have ও do-এর মতো শব্দ সহায়ক ক্রিয়া অথবা প্রধান ক্রিয়া—দুইভাবেই কাজ করতে পারে:
Sarah has finished. — সহায়ক ক্রিয়া
Sarah has a car. — প্রধান ক্রিয়া
পার্টিকল ও অন্যান্য ব্যাকরণগত শব্দ
ইংরেজিতে এমন কিছু ছোট শব্দও আছে, যেগুলোর আচরণ সব সময় প্রচলিত শ্রেণিগুলোর সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না।
ফ্রেজাল ভার্বে ব্যবহৃত পার্টিকল এর উদাহরণ:
turn off
give up
look after
একই রূপ ভিন্ন ব্যবহারে ভিন্ন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:
She walked up the hill. — প্রিপজিশন
She stood up. — বিশ্লেষণভেদে পার্টিকল বা ক্রিয়াবিশেষণ
এ কারণেই ব্যাকরণের শ্রেণিগুলো সব সময় স্কুলে শেখানো তালিকার মতো সহজ নয়।
আবেগসূচক ও সাড়াদানমূলক শব্দ
আবেগসূচক শব্দ প্রতিক্রিয়া, অনুভূতি, অভিবাদন বা কথোপকথনে সাড়া প্রকাশ করতে পারে।
oh, wow, ouch, hello, yes, no
এগুলো একাই একটি সম্পূর্ণ উক্তি হতে পারে:
Wow!
Yes.
Hello!
আশপাশের বাক্যের ব্যাকরণগত কাঠামোর সঙ্গে এগুলোর সম্পর্ক প্রায়ই শিথিল থাকে।
২. বাক্যগত ভূমিকা: উপাদানটি কী কাজ করছে?
একটি শব্দ, পদগুচ্ছ বা উপবাক্য বাক্যের বাকি অংশের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত, তা বোঝায় তার বাক্যগত ভূমিকা।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাক্যগত ভূমিকা সাধারণত শুধু আলাদা শব্দ নয়, পুরো পদগুচ্ছও পালন করে।
এই বাক্যটিতে:
The new student from Spain answered the question.
শুধু student শব্দটি কর্তা নয়। the new student from Spain—এই পুরো বিশেষ্য পদগুচ্ছটি কর্তা হিসেবে কাজ করছে।
বাক্যগত ভূমিকা বোঝাতে প্রচলিত ব্যাকরণ ও আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত পরিভাষায় কিছুটা পার্থক্য আছে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিচের শ্রেণিগুলো একটি কার্যকর ভিত্তি তৈরি করে।
কর্তা
কর্তা হলো সেই উপাদান, যার সঙ্গে ক্রিয়া বা বিধেয়ের একটি কেন্দ্রীয় ব্যাকরণগত সম্পর্ক থাকে।
ইংরেজি বিবৃতিমূলক বাক্যে এটি প্রায়ই ক্রিয়ার আগে বসে:
Sarah called Daniel.
The window broke.
This book is useful.
কর্তা প্রায়ই এমন ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে, যে কোনো কাজ করছে:
Daniel opened the door.
কিন্তু এটি সম্পূর্ণ সংজ্ঞা নয়।
কর্তা এমন কিছুকেও নির্দেশ করতে পারে:
- যা কোনো ঘটনার অভিজ্ঞতা লাভ করে;
- যার অবস্থার পরিবর্তন হয়;
- যাকে বর্ণনা করা হয়;
- যা কেবল বিদ্যমান থাকে বা কোনো পরিস্থিতির অংশ হয়।
উদাহরণ:
Sarah heard a noise.
The glass broke.
Daniel is tired.
The problem still exists.
Sarah ইচ্ছা করে শোনার কাজটি করছেন না। কাচের গ্লাসটিও ইচ্ছাকৃতভাবে ভাঙার কাজ করছে না। তবু Sarah এবং the glass-ই ব্যাকরণগত কর্তা।
শিক্ষার্থীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নির্ভরযোগ্য ও সহজ একটি সংজ্ঞা হলো:
কর্তা হলো সেই উপাদান, যাকে কেন্দ্র করে উপবাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে গঠিত হয় এবং যার সম্পর্কে বিধেয় কিছু বলে।
এটিও পুরোপুরি নির্ভুল সংজ্ঞা নয়, কারণ বিভিন্ন ভাষায় কর্তার আচরণ আলাদা। তবে কর্তা সব সময়ই “যিনি কাজটি করেন”—এমন সংজ্ঞার চেয়ে এটি বেশি সঠিক।
বিধেয়
বাক্যে কর্তা সম্পর্কে যা বলা হয়, সেটিই বিধেয়।
এই বাক্যে:
Sarah called Daniel.
বিধেয় হলো:
called Daniel
এই বাক্যে:
Daniel is tired.
বিধেয় হলো:
is tired
প্রচলিত ব্যাকরণে বিধেয় শব্দটি কখনো কখনো আরও সংকীর্ণ অর্থে শুধু ক্রিয়া বা ক্রিয়া পদগুচ্ছ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। আধুনিক বিশ্লেষণে এটি প্রায়ই কর্তা বাদে উপবাক্যের পুরো অংশকে বোঝায়।
বিধেয় প্রকাশ করতে পারে:
- কোনো কাজ;
- কোনো ঘটনা;
- কোনো অবস্থা;
- কোনো বৈশিষ্ট্য;
- কোনো পরিচয়;
- কোনো সম্পর্ক।
উদাহরণ:
Sarah ran home.
The window broke.
Daniel knows the answer.
Sarah is tired.
Daniel is a teacher.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সব সময় শুধু ক্রিয়ার মধ্যেই থাকে না।
এই বাক্যে:
Daniel is a teacher.
is ক্রিয়াটি কর্তাকে a teacher বর্ণনাটির সঙ্গে যুক্ত করছে। বাক্যের শব্দগত অর্থের বড় অংশই বহন করছে a teacher অভিব্যক্তিটি।
কর্ম
কর্ম হলো এমন একটি পদগুচ্ছ, যা ক্রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে এবং সাধারণত ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়।
Sarah called Daniel.
Daniel opened the window.
They discussed the problem.
ইংরেজিতে সাধারণত প্রত্যক্ষ কর্ম (direct object) ও পরোক্ষ কর্মের (indirect object) মধ্যে পার্থক্য করা হয়।
প্রত্যক্ষ কর্ম
প্রত্যক্ষ কর্ম সাধারণত সেই ব্যক্তি বা বস্তু, যা ঘটনায় সবচেয়ে সরাসরি প্রভাবিত, অনুভূত, সৃষ্ট বা যুক্ত হয়।
Sarah opened the door.
Daniel read the article.
They built a house.
পরোক্ষ কর্ম
পরোক্ষ কর্ম প্রায়ই কোনো প্রাপক বা উপকারভোগীকে বোঝায়।
Sarah gave Daniel the book.
এখানে:
- Daniel হলো পরোক্ষ কর্ম;
- the book হলো প্রত্যক্ষ কর্ম।
ইংরেজিতে প্রিপজিশন-যুক্ত পদগুচ্ছ দিয়েও প্রায়ই একই ধরনের সম্পর্ক প্রকাশ করা যায়:
Sarah gave the book to Daniel.
দুটি কাঠামোর অর্থ কাছাকাছি হলেও ব্যাকরণগতভাবে তারা এক নয়।
পূরক
পূরক কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ, বিশেষ্য বা উপবাক্যের প্রয়োজনীয় অর্থ সম্পূর্ণ করে।
তুলনা করুন:
Daniel became a teacher.
Sarah seems tired.
They put the book on the table.
এই উদাহরণগুলোতে গাঢ় অক্ষরে লেখা অভিব্যক্তিগুলো সাধারণ প্রত্যক্ষ কর্ম নয়।
- a teacher, Daniel-এর পরিচয় দিচ্ছে;
- tired, Sarah-কে বর্ণনা করছে;
- on the table, put ক্রিয়াটির অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য প্রয়োজনীয় স্থানটি জানাচ্ছে।
পূরক একটি বিস্তৃত পরিভাষা, এবং ব্যাকরণের বইগুলোতে এর ব্যবহার কিছুটা ভিন্ন হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য মূল ধারণাটি হলো, পূরক এমন একটি উপাদান, যা বাক্যের অন্য কোনো অংশের অর্থ বা গঠনের প্রয়োজনে আসে, অথবা সেই অংশের কারণে সেখানে বসতে পারে।
বিশেষক
বিশেষক অন্য কোনো উপাদান সম্পর্কে বাড়তি তথ্য যোগ করে।
the old house
a book about language
the student who arrived late
বিশেষক বর্ণনা করতে পারে:
- গুণ বা বৈশিষ্ট্য;
- পরিমাণ;
- অবস্থান;
- মালিকানা;
- পরিচয়;
- অতিরিক্ত পরিস্থিতিগত তথ্য।
এগুলো একক শব্দ, পদগুচ্ছ বা উপবাক্য হতে পারে।
ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান
ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান (adverbial) কোনো ঘটনা বা অবস্থার সঙ্গে যুক্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য দেয়।
এটি প্রকাশ করতে পারে:
- সময়;
- স্থান;
- ধরন;
- কারণ;
- উদ্দেশ্য;
- কত ঘন ঘন ঘটে;
- স্থায়িত্ব;
- শর্ত;
- মাত্রা।
উদাহরণ:
Sarah called yesterday.
They met in Budapest.
Daniel answered very carefully.
We stayed home because of the storm.
She studies to improve her English.
ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদানকে ক্রিয়াবিশেষণ হতেই হবে, এমন নয়।
এটি হতে পারে:
- একটি ক্রিয়াবিশেষণ: yesterday;
- একটি প্রিপজিশন-যুক্ত পদগুচ্ছ: in Budapest;
- একটি বিশেষ্য পদগুচ্ছ: last week;
- একটি উপবাক্য: because it was raining।
শব্দশ্রেণি ও বাক্যগত ভূমিকার পার্থক্যের এটি আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ।
Yesterday একটি ক্রিয়াবিশেষণ, যা ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান হিসেবে কাজ করছে।
In Budapest একটি প্রিপজিশন-যুক্ত পদগুচ্ছ, যা ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান হিসেবে কাজ করছে।
Last week একটি বিশেষ্য পদগুচ্ছ, যা ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান হিসেবে কাজ করছে।
ভিন্ন ধরনের অভিব্যক্তি একই বাক্যগত ভূমিকা পালন করতে পারে।
শব্দশ্রেণি ও বাক্যগত ভূমিকার মধ্যে একের সঙ্গে একের বাঁধা মিল নেই
এভাবে সহজ কিছু জোড়া শিখে নিতে ইচ্ছে হতে পারে:
- বিশেষ্য = কর্তা;
- বিশেষণ = বিশেষক;
- ক্রিয়াবিশেষণ = ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান;
- ক্রিয়া = বিধেয়।
এ ধরনের সম্পর্ক প্রায়ই দেখা যায়, কিন্তু এগুলো অপরিবর্তনীয় নিয়ম নয়।
একটি বিশেষ্য পদগুচ্ছ কর্তা হিসেবে কাজ করতে পারে:
The new manager arrived.
এটি কর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে:
We met the new manager.
এটি পূরক হিসেবে কাজ করতে পারে:
Sarah became the new manager.
এমনকি এটি ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান হিসেবেও কাজ করতে পারে:
We met last Monday.
একটি বিশেষণ বিশেষ্য সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দিতে পারে:
a quiet room
অথবা বিধেয়ের অংশ হতে পারে:
The room is quiet.
একটি প্রিপজিশন-যুক্ত পদগুচ্ছ বিশেষ্য সম্পর্কে বাড়তি তথ্য দিতে পারে:
the book on the table
অথবা ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান হিসেবে কাজ করতে পারে:
The book is on the table.
তাই গঠন ও ভূমিকার সম্পর্ক নমনীয়:
একই শব্দশ্রেণি একাধিক ভূমিকা পালন করতে পারে, আবার একই ভূমিকা একাধিক ধরনের পদগুচ্ছ পালন করতে পারে।
একের সঙ্গে একের বাঁধা মিল মুখস্থ করার চেয়ে এই নীতিটি অনেক বেশি কার্যকর।
কোনো শব্দের শ্রেণি সব সময় চিরস্থায়ীভাবে নির্দিষ্ট থাকে না
শব্দশ্রেণিকে “অভিধানের স্তর” হিসেবে ভাবা সুবিধাজনক, তবে এই তুলনারও সীমা আছে।
একই লিখিত রূপের একাধিক ব্যাকরণগত ব্যবহার থাকতে পারে।
ইংরেজি call শব্দটি দেখুন:
I received a call. — বিশেষ্য
Please call me. — ক্রিয়া
অথবা email:
I sent an email. — বিশেষ্য
Please email the document. — ক্রিয়া
অথবা clean:
a clean room — বিশেষণ
Please clean the room. — ক্রিয়া
অথবা fast:
a fast car — বিশেষণ
The car moved fast. — ক্রিয়াবিশেষণ
ইংরেজিতে প্রায়ই শব্দের শেষে দৃশ্যমান কোনো অংশ যোগ না করেই তাকে এক শ্রেণি থেকে অন্য শ্রেণিতে ব্যবহার করা যায়। ভাষাবিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াকে প্রায়ই শ্রেণি পরিবর্তন (conversion) বা শূন্য প্রত্যয়ে শব্দগঠন (zero derivation) বলেন।
এর অর্থ হলো, সব সময় সবচেয়ে যথাযথ প্রশ্নটি এমন নয়:
এই শব্দটি কোন পদ?
বরং প্রায়ই আরও ভালো প্রশ্ন হলো:
এই বাক্যে এই রূপটি কোন শব্দশ্রেণি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
তাই অভিধানে একই বানান একাধিক শব্দশ্রেণির অধীনে থাকতে পারে।
কর্তা আর কাজের সম্পাদনকারী এক নয়
ব্যাকরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যগুলোর একটি হলো ব্যাকরণগত ভূমিকা ও অর্থগত ভূমিকার পার্থক্য।
ব্যাকরণগত ভূমিকা বাক্যের কাঠামো বর্ণনা করে:
- কর্তা;
- কর্ম;
- পূরক।
অর্থগত ভূমিকা বোঝায়, কোনো সত্তা ঘটনায় কীভাবে যুক্ত রয়েছে:
- কাজের সম্পাদনকারী (agent): যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কাজটি করেন;
- অনুভবকারী (experiencer): যিনি কোনো কিছু উপলব্ধি বা অনুভব করেন;
- প্রভাবিত সত্তা (patient): যে সত্তা ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়;
- প্রাপক (recipient): যিনি কিছু গ্রহণ করেন;
- করণ (instrument): কাজটি করতে যে বস্তু ব্যবহার করা হয়।
দেখুন:
Daniel opened the door.
এখানে Daniel একই সঙ্গে:
- ব্যাকরণগত কর্তা;
- অর্থগতভাবে কাজের সম্পাদনকারী।
এবার তুলনা করুন:
Daniel heard a noise.
Daniel এখনো ব্যাকরণগত কর্তা, কিন্তু অর্থগতভাবে তিনি ইচ্ছাকৃত কাজের সম্পাদনকারী নন, বরং অনুভবকারী।
এবার দেখুন:
The door opened.
The door কর্তা, কিন্তু কাজের সম্পাদনকারী নয়।
আর এই বাক্যে:
The door was opened by Daniel.
The door এখন ব্যাকরণগত কর্তা, যদিও অর্থগতভাবে Daniel-ই কাজের সম্পাদনকারী রয়েছেন।
এই পার্থক্য থেকেই বোঝা যায়, “যিনি কাজটি করেন, তিনিই কর্তা”—এই ব্যাখ্যা শুরুর দিকের কিছু উদাহরণে কাজে এলেও সাধারণ সংজ্ঞা হিসেবে কেন ঠিক নয়।
ব্যাকরণগত কেন্দ্রে সব সময় সাধারণ কোনো কাজ বোঝানো ক্রিয়া থাকে না
ব্যাকরণের অনেক প্রাথমিক ব্যাখ্যায় বাক্যকে এভাবে দেখানো হয়:
কর্তা + কাজ বোঝানো ক্রিয়া + কর্ম
এই কাঠামোটি প্রচলিত:
Sarah opened the window.
কিন্তু ইংরেজি বাক্য আরও নানা ধরনের বিধেয়কে কেন্দ্র করে গঠিত হতে পারে।
ঘটনা
The window broke.
অবস্থা
Daniel knows the answer.
বৈশিষ্ট্য
Sarah is tired.
পরিচয় বা শ্রেণিগত অবস্থান
Daniel is a teacher.
অস্তিত্ব
There is a problem.
অনুভব
Sarah likes music.
তাই ব্যাকরণকে শুধু ইচ্ছাকৃত কাজের বর্ণনা দিলেই চলে না। অবস্থা, বৈশিষ্ট্য, পরিচয়, পরিবর্তন, অনুভব ও সম্পর্কও ব্যাখ্যা করতে হয়।
এই পার্থক্য কি সব ভাষায় প্রযোজ্য?
কোনো অভিব্যক্তি কী ধরনের এবং বৃহত্তর কাঠামোয় সেটি কী ভূমিকা পালন করে—এই পার্থক্যটি বিভিন্ন ভাষা বোঝার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর।
তবে প্রতিটি ভাষা ইংরেজির মতো হুবহু একইভাবে শব্দ ও বাক্যগত ভূমিকার শ্রেণিবিভাগ করে, এমন ধরে নেওয়া উচিত নয়।
ভাষাভেদে পার্থক্য দেখা যায়:
- বিশেষ্য, ক্রিয়া ও বিশেষণ কতটা স্পষ্টভাবে আলাদা করা হয়;
- কর্তা ও কর্ম কীভাবে আচরণ করে;
- সর্বনাম ব্যবহার করা আবশ্যক কি না;
- ব্যাকরণগত সম্পর্ক কীভাবে চিহ্নিত করা হয়;
- আলোচনার বিষয় ও ব্যাকরণগত কর্তাকে কীভাবে আলাদা করা হয়;
- শব্দক্রম, শব্দের শেষে যুক্ত অংশ, পার্টিকল বা ক্রিয়ার রূপের মাধ্যমে কতটা তথ্য প্রকাশ করা হয়।
তাই ভাষাবিজ্ঞানীরা দুটি বিষয়কে আলাদা করেন:
- ভাষা-নির্দিষ্ট শ্রেণি, যা কোনো নির্দিষ্ট ভাষা কীভাবে কাজ করে, তার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়;
- তুলনামূলক ধারণা, যার সাহায্যে গবেষকেরা বিভিন্ন ভাষার ধরন ও কাঠামো তুলনা করতে পারেন।
বিশেষ্য, ক্রিয়া, কর্তা ও কর্ম—এই শ্রেণিগুলো অত্যন্ত কার্যকর। কিন্তু একটি ভাষায় এগুলোর যে বৈশিষ্ট্য আছে, তা অপরিবর্তিতভাবে অন্য সব ভাষায় প্রয়োগ করা যায় না।
Universal Dependencies-এর মতো বহু ভাষাভিত্তিক প্রকল্প নানা ভাষা বিশ্লেষণের জন্য একটি অভিন্ন কাঠামো ব্যবহার করে, আবার ভাষা-নির্দিষ্ট পার্থক্যগুলোকেও জায়গা দেয়। সেই কাঠামোয় শব্দশ্রেণি, রূপতাত্ত্বিক তথ্য ও বাক্যতাত্ত্বিক সম্পর্ক আলাদা স্তরে নথিবদ্ধ করা হয়। এতে এই অধ্যায়ের মূল ধারণাটিই প্রতিফলিত হয়: কোনো অভিব্যক্তির ধরন ও বাক্যে তার ভূমিকা পরস্পর সম্পর্কিত, কিন্তু আলাদা।
প্রায় যেকোনো বাক্য স্পষ্টভাবে বুঝতে তিনটি প্রশ্ন
বাক্য বিশ্লেষণের সময় আলাদা করে তিনটি প্রশ্ন করলে সুবিধা হয়।
১. এটি কী ধরনের উপাদান?
এটি কি বিশেষ্য, ক্রিয়া, বিশেষণ, সর্বনাম, নির্ধারক, প্রিপজিশন, পার্টিকল, নাকি অন্য কোনো ধরনের অভিব্যক্তি?
২. এখানে এটি কী ভূমিকা পালন করছে?
এটি কি কর্তা, কর্ম, পূরক, বিশেষক, নাকি ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদান হিসেবে কাজ করছে?
৩. কোন লক্ষণ থেকে এর ভূমিকা বোঝা যায়?
সম্ভাব্য লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- শব্দক্রম;
- কারকবিভক্তি;
- প্রিপজিশন বা অনুসর্গ;
- পার্টিকল;
- ক্রিয়ার রূপে সঙ্গতি;
- সর্বনামের রূপ;
- বাক্যের কাঠামো;
- স্বরভঙ্গি;
- অর্থ ও প্রসঙ্গ।
এই তৃতীয় প্রশ্নটি ব্যাকরণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্ষেত্রগুলোর একটির দিকে নিয়ে যায়।
কে কাকে কী করল, শ্রোতা তা কীভাবে বুঝতে পারেন?
ইংরেজি অনেকটাই শব্দক্রমের ওপর নির্ভর করে। হাঙ্গেরীয় ও রুশ ভাষায় ব্যাপকভাবে কারকচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। জাপানি ও কোরীয় ভাষায় পার্টিকলের ব্যবহার প্রচুর। স্প্যানিশে শব্দক্রমের সঙ্গে ক্রিয়ার সঙ্গতি এবং কর্মের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। ম্যান্ডারিনে শব্দক্রম, পার্টিকল, বাক্যগঠন ও প্রসঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
সব ভাষা একইভাবে ব্যাকরণগত সম্পর্ক প্রকাশ করে না। কোন উপায়ে কতটা তথ্য প্রকাশ করা হবে, ভাষাভেদে তার বণ্টন আলাদা।
মূল কথা
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটি সহজ:
কোনো শব্দের শ্রেণি আর বাক্যে তার ভূমিকা এক নয়।
বিশেষ্য হলেই তা কর্তা হয়ে যায় না।
কর্তা সব সময় কাজের সম্পাদনকারী নয়।
বিশেষণ শুধু বিশেষ্য সম্পর্কে তথ্য দেয় না।
ক্রিয়াবিশেষণীয় উপাদানকে ক্রিয়াবিশেষণ হতেই হবে, এমন নয়।
আর একই লিখিত রূপ ভিন্ন প্রসঙ্গে ভিন্ন শব্দশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
শিক্ষার্থীরা যখন এই স্তরগুলো আলাদা করে বোঝেন, তখন ব্যাকরণকে আর বিচ্ছিন্ন কিছু নামের সমষ্টি মনে হয় না। বরং এটি হয়ে ওঠে রূপ, ভূমিকা ও সম্পর্কের একটি সুসংবদ্ধ ব্যবস্থা।
পরের অধ্যায়ে আমরা তুলনা করব, বিভিন্ন ভাষা কীভাবে শব্দক্রম, কারকবিভক্তি, পার্টিকল, সঙ্গতি ও প্রসঙ্গের মাধ্যমে এই সম্পর্কগুলো প্রকাশ করে।