এই বর্ণনাগুলো কাজে লাগে, তবে এগুলো দিয়ে বিষয়টিকে সহজেই অতিরিক্ত সরল করে ফেলা যায়।
কে কাজটি করছে, কার ওপর তার প্রভাব পড়ছে, কে কিছু পাচ্ছে বা ঘটনায় প্রত্যেকের কী ভূমিকা—এসব বোঝাতে ভাষা খুব কম ক্ষেত্রেই শুধু একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে। বরং সাধারণত ব্যাকরণ ও প্রসঙ্গ থেকে পাওয়া নানা ধরনের তথ্য একসঙ্গে কাজে লাগায়।
এই অধ্যায়ে আমরা দেখব, বিশ্বের কয়েকটি প্রধান ভাষা কীভাবে যোগাযোগের একই মৌলিক সমস্যার সমাধান করে:
শ্রোতা কীভাবে বোঝেন, কে কাকে কী করল?
একটি ঘটনা, তথ্যের একাধিক স্তর
এই ইংরেজি বাক্যটি দেখুন:
Sarah encouraged Daniel. অর্থাৎ, সারাহ ড্যানিয়েলকে উৎসাহ দিয়েছিলেন।
বাক্যটিকে আমরা কয়েকটি স্তরে বর্ণনা করতে পারি।
পদশ্রেণি
- Sarah একটি নামবাচক বিশেষ্য।
- encouraged একটি ক্রিয়া।
- Daniel একটি নামবাচক বিশেষ্য।
ব্যাকরণগত কাজ
- Sarah হলো কর্তা।
- Daniel হলো প্রত্যক্ষ কর্ম।
অর্থগত ভূমিকা
- Sarah হলেন যিনি উৎসাহ দিচ্ছেন।
- Daniel হলেন যিনি সেই উৎসাহ পাচ্ছেন বা অনুভব করছেন।
এই সরল কর্তৃবাচ্যের বাক্যে ব্যাকরণগত ও অর্থগত স্তর দুটি সুন্দরভাবে মিলে যায়।
এবার তুলনা করুন:
Daniel was encouraged by Sarah. অর্থাৎ, সারাহর দ্বারা ড্যানিয়েলকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছিল।
মূল ঘটনা প্রায় একই। উৎসাহের উৎস এখনও Sarah, আর যিনি তা পাচ্ছেন, তিনি এখনও Daniel।
কিন্তু ব্যাকরণগত গঠন বদলে গেছে:
- Daniel এখন কর্তা;
- Sarah এখন by দিয়ে শুরু হওয়া একটি পদগুচ্ছের মধ্যে রয়েছে;
- ক্রিয়াটি কর্মবাচ্যে রয়েছে।
এই কারণেই শুধু কে কাজটি করছে, তা জিজ্ঞেস করে ব্যাকরণগত ভূমিকা চেনা যায় না। ভাষা ব্যাকরণের সাহায্যে একই ঘটনাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে সাজায়।
ভাষা যেসব প্রধান সংকেত ব্যবহার করতে পারে
ব্যাকরণগত সম্পর্ক বোঝাতে ভাষার হাতে বেশ কয়েকটি উপায় আছে। কোনটির ওপর কতটা নির্ভর করা হয়, তা ভাষাভেদে অনেক বদলে যায়।
১. শব্দক্রম
কোনো শব্দ বা পদগুচ্ছের অবস্থান তার ভূমিকা বোঝাতে পারে।
তুলনা করুন:
Sarah called Daniel. — সারাহ ড্যানিয়েলকে ফোন করেছিলেন।
Daniel called Sarah. — ড্যানিয়েল সারাহকে ফোন করেছিলেন।
ইংরেজিতে নাম দুটির অবস্থান পাল্টে দিলে কে ফোন করেছিলেন, সে সম্পর্কে সবচেয়ে স্বাভাবিক ব্যাখ্যাটিও উল্টে যায়।
২. কারকচিহ্ন ও বিশেষ্যপদের অন্যান্য চিহ্ন
বিশেষ্যের রূপ বদলাতে পারে, অথবা তার শেষে এমন একটি অংশ যুক্ত হতে পারে যা তার ব্যাকরণগত ভূমিকা চিহ্নিত করে।
হাঙ্গেরীয় ভাষায়:
Sarah felhívta Danielt.
শেষের -t অংশটি Daniel-কে প্রত্যক্ষ কর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে।
অন্যান্য ভাষায় একই ধরনের কাজে রূপবিকারমূলক কারক-বিভক্তি, ক্লিটিক বা অন্য পদের সঙ্গে যুক্ত নির্ভরশীল শব্দাংশ, অব্যয়, পূর্বসর্গ কিংবা অনুসর্গ ব্যবহৃত হতে পারে।
৩. ক্রিয়ার সংগতি
ক্রিয়ার মধ্যেই তার কর্তা বা ঘটনায় জড়িত অন্যদের সম্পর্কে তথ্য থাকতে পারে।
স্প্যানিশ:
Hablo.
“আমি কথা বলি।”
hablo-এর শেষাংশ থেকে বোঝা যায়, কর্তা উত্তম পুরুষ একবচন। তাই আলাদা সর্বনাম প্রায়ই দরকার হয় না।
কিছু ভাষায় ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে আরও বেশি তথ্য ক্রিয়ার মধ্যেই থাকে।
৪. বিশেষ গঠন
কর্মবাচ্য, প্রশ্নবোধক গঠন, আলোচ্য বিষয়ভিত্তিক গঠন এবং কর্মকে বাক্যের সামনে আনার রীতি বাক্যের সাধারণ বিন্যাস বদলে দিতে পারে।
ইংরেজি:
Sarah opened the door. — সারাহ দরজাটি খুলেছিলেন।
The door was opened by Sarah. — দরজাটি সারাহর দ্বারা খোলা হয়েছিল।
মান্দারিন:
কর্তা–ক্রিয়া–কর্ম গঠন প্রচলিত, তবে bǎ গঠনে একটি চিহ্নিত কর্ম মূল ক্রিয়ার আগে বসে।
৫. অর্থ, প্রসঙ্গ ও উভয়ের জানা তথ্য
ব্যাকরণ একা কাজ করে না।
শ্রোতারাও কাজে লাগান:
- শব্দের অর্থ;
- বাস্তব বা সামাজিক দিক থেকে কী ঘটতে পারে;
- আগে কী বলা হয়েছে;
- ঘটনায় জড়িত কেউ মানুষ বা প্রাণী কি না;
- কোনো কিছু নির্দিষ্ট বা আগে থেকেই পরিচিত কি না;
- স্বরভঙ্গি ও জোর।
এই বাক্যটি দেখুন:
The child ate the sandwich. — শিশুটি স্যান্ডউইচটি খেয়েছিল।
বিস্তারিত ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ ছাড়াও, জগৎ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান একটি ব্যাখ্যাকে তার উল্টো ব্যাখ্যার চেয়ে অনেক বেশি সম্ভাব্য করে তোলে।
তবে দুটি সম্ভাবনাই বাস্তবসম্মত হলে শুধু অর্থ থেকে ততটা সাহায্য পাওয়া যায় না:
Sarah called Daniel.
Daniel called Sarah.
এমন ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত সংকেত অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
ইংরেজি: অনেকটা কাজই করে শব্দক্রম
ইংরেজিতে সাধারণ বিশেষ্যপদে কারকচিহ্নের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে কম। Sarah ও Daniel বিশেষ্য দুটি কর্তা হোক বা কর্ম, তাদের দৃশ্যমান রূপ বদলায় না।
ফলে শব্দক্রম খুব গুরুত্বপূর্ণ।
সবচেয়ে প্রচলিত, বিশেষ জোরহীন সাধারণ বিন্যাস হলো:
কর্তা – ক্রিয়া – কর্ম
অথবা:
SVO
যেমন:
Sarah called Daniel.
Daniel thanked Sarah. — ড্যানিয়েল সারাহকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।
ক্রম বদলালে সবচেয়ে স্বাভাবিক ব্যাখ্যাও বদলে যায়:
Sarah encouraged Daniel.
Daniel encouraged Sarah.
এর অর্থ এই নয় যে ক্রিয়ার আগে থাকা প্রত্যেকটি বিশেষ্য পদগুচ্ছই অবশ্যই কর্তা, কিংবা ক্রিয়ার পরে থাকা প্রত্যেকটি বিশেষ্য পদগুচ্ছই অবশ্যই কর্ম।
ইংরেজি আরও ব্যবহার করে:
- সহায়ক ক্রিয়া;
- সর্বনামের কারকরূপ;
- পূর্বসর্গ;
- ক্রিয়ার সংগতি;
- কর্মবাচ্যের গঠন;
- প্রশ্নবোধক গঠন;
- সম্বন্ধবাচক উপবাক্য;
- প্রসঙ্গ।
সর্বনামের রূপ বাড়তি তথ্য দেয়
তুলনা করুন:
She called him.
He called her.
সাধারণ বিশেষ্যপদে যেসব পার্থক্য প্রায় হারিয়ে গেছে, ইংরেজি সর্বনামে সেগুলো এখনও টিকে আছে।
- she ও he হলো কর্তার রূপ;
- her ও him হলো কর্মের রূপ।
অর্থাৎ, ইংরেজি শুধু শব্দক্রমের ওপর নির্ভর করে না।
প্রশ্নে সাধারণ ক্রম বদলে যায়
অনেক প্রশ্নে কর্তার আগে একটি সহায়ক ক্রিয়া বসে:
Did Sarah call Daniel? — সারাহ কি ড্যানিয়েলকে ফোন করেছিলেন?
প্রথম উপাদানটি কর্তা নয়। কর্তা এখনও Sarah।
কর্মবাচ্যের বাক্যে ঘটনায় জড়িতদের নতুনভাবে সাজানো হয়
তুলনা করুন:
Sarah encouraged Daniel.
Daniel was encouraged by Sarah.
কর্তৃবাচ্যের বাক্যে Sarah হলো কর্তা।
কর্মবাচ্যের বাক্যে Daniel ব্যাকরণগত কর্তা হয়ে যায়, যদিও ঘটনায় তার অর্থগত ভূমিকা অনেকটাই একই থাকে।
তাই ইংরেজি শব্দক্রমের ওপর অনেকটা নির্ভর করলেও, শব্দক্রম একটি আরও বড় ব্যাকরণব্যবস্থার মধ্যে কাজ করে।
ফরাসি: তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট ক্রম, তবে সর্বনামের বিশেষ অবস্থান
ফরাসিতেও SVO বিন্যাসই প্রধান:
Sarah appelle Daniel.
“সারাহ ড্যানিয়েলকে ফোন করছেন।”
পূর্ণ বিশেষ্য পদগুচ্ছের ক্ষেত্রে কর্তা ও কর্ম আলাদা করতে শব্দক্রম বড় ভূমিকা রাখে।
কিন্তু কর্মবাচক সর্বনাম সাধারণত ক্রিয়ার আগে বসে:
Sarah l’appelle.
“সারাহ তাঁকে ফোন করছেন।”
এখানে le কর্মবাচক সর্বনামটি সংক্ষিপ্ত হয়ে l’ হয়েছে। একটি পূর্ণ কর্মবাচক বিশেষ্য পদগুচ্ছ সাধারণত যেখানে বসত, এটি সেখানে বসেনি।
তুলনা করুন:
Sarah appelle Daniel.
Sarah l’appelle.
এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ নীতি বোঝা যায়:
একটি ভাষায় পূর্ণ বিশেষ্য পদগুচ্ছ এবং ছোট ব্যাকরণগত সর্বনামের জন্য শব্দক্রমের আলাদা নিয়ম থাকতে পারে।
ফরাসি আরও ব্যবহার করে:
- কর্তৃবাচক সর্বনাম;
- কর্মবাচক সর্বনাম;
- পূর্বসর্গ;
- সহায়ক ক্রিয়া;
- নির্দিষ্ট কিছু গঠনে সংগতি;
- উপবাক্যের তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট বিন্যাস।
তাই ফরাসি শব্দক্রমের ওপর অনেকটা নির্ভরশীল হলেও, তাকে শুধু “ক্রিয়ার আগে কর্তা, ক্রিয়ার পরে কর্ম”—এই নিয়মে সীমাবদ্ধ করা যায় না।
স্প্যানিশ: শব্দক্রম, ক্রিয়ার শেষাংশ ও কর্মচিহ্ন
স্প্যানিশকে প্রায়ই SVO ভাষা বলা হয়, তবে এর বাক্যগঠন ইংরেজির চেয়ে বেশি নমনীয়।
বিশেষ জোরহীন একটি সাধারণ বাক্য হতে পারে:
Sara llamó a Daniel.
“সারাহ ড্যানিয়েলকে ফোন করেছিলেন।”
এখানে একসঙ্গে কয়েকটি সংকেত কাজ করছে।
ক্রিয়া কর্তার বৈশিষ্ট্য জানায়
llamó রূপটি নামপুরুষ একবচন ও অতীত কাল নির্দেশ করে।
স্প্যানিশ ক্রিয়া প্রায়ই এতটা তথ্য দেয় যে কর্তৃবাচক সর্বনাম বাদ দেওয়া যায়:
Llamé a Daniel.
“আমি ড্যানিয়েলকে ফোন করেছিলাম।”
llamé-এর শেষাংশ জানায়, কর্তা উত্তম পুরুষ একবচন।
এই বৈশিষ্ট্যকে কখনও প্রো-ড্রপ বলা হয়। অর্থাৎ, জোরহীন কর্তৃবাচক সর্বনাম প্রায়ই উচ্চারণ না করলেও চলে।
ব্যক্তিবাচক a অনেক মানববাচক কর্মকে চিহ্নিত করে
এই বাক্যে:
Sara llamó a Daniel.
Daniel-এর আগে থাকা a একটি সুনির্দিষ্ট, মানববাচক প্রত্যক্ষ কর্মকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে।
প্রচলিতভাবে একে ব্যক্তিবাচক a বলা হয়।
এটি সব কর্মের আগে বসে না:
Sara compró un libro.
“সারাহ একটি বই কিনেছিলেন।”
a থাকবে কি না, তা নির্ভর করে কর্মটি ব্যক্তিবাচক বা প্রাণিবাচক কি না, কতটা সুনির্দিষ্ট এবং কোন বিশেষ গঠন ব্যবহৃত হচ্ছে—এমন কয়েকটি বিষয়ের ওপর।
কর্মবাচক সর্বনামের নিজস্ব অবস্থান আছে
Sara lo llamó.
“সারাহ তাঁকে ফোন করেছিলেন।”
lo কর্মবাচক সর্বনামটি সমাপিকা ক্রিয়ার আগে বসে, যদিও পূর্ণ বিশেষ্যরূপে কর্ম সাধারণত সেই ক্রিয়ার পরে থাকে।
শব্দক্রম ফোকাসও বোঝায়
কোন তথ্যের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে, তাকেই এখানে ফোকাস বলা হচ্ছে। স্প্যানিশে এমন কয়েকটি শব্দক্রম ব্যবহার করা যায়, যা সাধারণ ইংরেজিতে অস্বাভাবিক বা বিশেষ জোরযুক্ত শোনাবে।
কোন ক্রমটি বেছে নেওয়া হবে, তা নির্ভর করতে পারে:
- কোন তথ্য আগে থেকেই জানা;
- কোন তথ্য নতুন;
- কোন বিষয়টিকে অন্য কিছুর বিপরীতে তুলে ধরা হচ্ছে;
- বক্তা কোন বিষয়ে জোর দিতে চান।
তাই স্প্যানিশ শব্দক্রম, ক্রিয়ার রূপগঠন, কর্মচিহ্ন, সর্বনাম ও তথ্যবিন্যাস একসঙ্গে কাজে লাগায়।
হাঙ্গেরীয়: কারক-বিভক্তি ভূমিকা বোঝায়, শব্দক্রম বার্তাকে সাজায়
হাঙ্গেরীয় ভাষায় প্রত্যয়ের ব্যাপক ব্যবহার আছে।
প্রত্যক্ষ কর্মকে সাধারণত -t দিয়ে চিহ্নিত করা হয়:
Sarah felhívta Danielt.
“সারাহ ড্যানিয়েলকে ফোন করেছিলেন।”
Danielt-এর সঙ্গে কর্মচিহ্ন যুক্ত থাকায়, এটি বাক্যের বিভিন্ন অবস্থানে বসতে পারে, তবু কর্তা হয়ে যায় না।
তুলনা করুন:
Sarah felhívta Danielt.
Danielt Sarah hívta fel.
Sarah Danielt hívta fel.
তিনটি বাক্যেই Danielt কর্ম হিসেবে থাকে।
তবে বাক্য তিনটি ঠিক একই বার্তা দেয় না।
হাঙ্গেরীয় শব্দক্রম নমনীয়, এলোমেলো নয়
শব্দক্রমে প্রায়ই বোঝা যায়:
- আলোচ্য বিষয়;
- ফোকাস;
- বৈপরীত্য;
- তথ্যটি নতুন, নাকি আগে থেকেই জানা;
- নঞর্থকতার প্রয়োগের পরিসর;
- ক্রিয়া ও তার উপসর্গের সম্পর্ক।
যেমন:
Sarah felhívta Danielt.
এটি তুলনামূলকভাবে বিশেষ জোরহীন একটি সাধারণ বিবৃতি হতে পারে।
Sarah Danielt hívta fel.
এখানে সাধারণত Danielt-এর ওপর বৈপরীত্যমূলক ফোকাস থাকে: সারাহ অন্য কাউকে নয়, ড্যানিয়েলকেই ফোন করেছিলেন।
Danielt Sarah hívta fel.
প্রসঙ্গ ও স্বরভঙ্গির ওপর নির্ভর করে, এখানে অন্য কোনো সম্ভাব্য ফোনকারীর বিপরীতে Sarah-কে তুলে ধরা হতে পারে।
কারক-বিভক্তি থাকায় হাঙ্গেরীয় শব্দক্রম কথোপকথনে তথ্য সাজানোর আরও বেশি কাজ করতে পারে। তবে এতে শব্দক্রম গুরুত্বহীন হয়ে যায় না।
ক্রিয়াও তথ্য দেয়
হাঙ্গেরীয় ক্রিয়া নির্দেশ করতে পারে:
- পুরুষ;
- বচন;
- কাল;
- ক্রিয়ার ভাব;
- অনেক গঠনে কর্মটি নির্দিষ্ট কি না।
যেমন, হাঙ্গেরীয় ভাষায় অনির্দিষ্ট ও নির্দিষ্ট কর্মের সঙ্গে ব্যবহৃত ক্রিয়ার রূপ আলাদা হয়:
Olvasok egy könyvet.
“আমি একটি বই পড়ছি।”
Olvasom a könyvet.
“আমি বইটি পড়ছি।”
এই পার্থক্য ইংরেজির নির্দিষ্টতার ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি এক নয়। তবে এটি দেখায়, ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য ক্রিয়াতেও থাকতে পারে।
তাই হাঙ্গেরীয় ভাষায় ব্যাকরণগত তথ্য শব্দের শেষাংশ, ক্রিয়ার রূপ, শব্দক্রম ও প্রসঙ্গজুড়ে ছড়িয়ে থাকে।
রুশ: কারকচিহ্ন ও তথ্যবিন্যাস
রুশ ভাষায় বিশেষ্য, বিশেষণ ও সর্বনামের রূপ ব্যাকরণগত কারক অনুযায়ী বদলাতে পারে।
কারক যেসব সম্পর্ক বোঝাতে সাহায্য করে, তার মধ্যে আছে:
- কর্তা;
- প্রত্যক্ষ কর্ম;
- অধিকার বা সম্বন্ধ;
- প্রাপক;
- করণ বা উপকরণ;
- অবস্থান।
এই সম্পর্কগুলো প্রায়ই শব্দের রূপের মধ্যেই চিহ্নিত থাকে বলে রুশ ভাষায় ইংরেজির চেয়ে বেশি শব্দক্রম-বৈচিত্র্য সম্ভব।
বিশেষ জোরহীন সাধারণ বিন্যাস প্রায়ই SVO, তবে অন্য ক্রমও ব্যবহার করা যায়।
শব্দক্রম দিয়ে বোঝানো হতে পারে:
- বাক্যটি কী নিয়ে বলা হচ্ছে;
- কোন তথ্য নতুন;
- বৈপরীত্য;
- জোর;
- শৈলীগত প্রভাব।
সব কর্মের জন্য একটিমাত্র অভিন্ন শেষাংশ নেই
রুশ ভাষায় প্রত্যেক কর্মকে একটি নির্দিষ্ট শেষাংশ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়—এমন কথা বলা বিভ্রান্তিকর হবে।
কর্মকারকের রূপ নির্ভর করে:
- ব্যাকরণগত লিঙ্গ;
- বচন;
- বিশেষ্যটি কোন রূপান্তর-শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত;
- প্রাণিবাচকতা।
কিছু বিশেষ্যের কর্মকারকের রূপ কর্তৃকারকের মতোই দেখায়। অন্য কিছু বিশেষ্যের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে প্রাণিবাচক পুংলিঙ্গ বিশেষ্যে, তা সম্বন্ধকারকের রূপের মতো হতে পারে।
অর্থাৎ, বিশেষ্যের ভূমিকা বোঝাতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে:
- তার শেষাংশ;
- বিশেষণের সংগতি;
- সর্বনামের রূপ;
- ক্রিয়ার অর্থ;
- শব্দক্রম;
- প্রসঙ্গ।
রুশ ভাষায় কারকের ব্যবহার সমৃদ্ধ, তবে কারকচিহ্ন থাকলেই সব সম্ভাব্য দ্ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না।
মান্দারিন চীনা: ইউরোপীয় ধরনের রূপবিকার ছাড়াই অবস্থানভিত্তিক সুস্পষ্ট বিন্যাস
মান্দারিন চীনা ভাষায় রূপবিকার তুলনামূলকভাবে কম।
ক্রিয়া সাধারণত যেসব বিষয় অনুযায়ী বদলায় না:
- কর্তার পুরুষ;
- একবচন বা বহুবচনের সংগতি;
- ইংরেজি বা স্প্যানিশ ক্রিয়ার মতো কাল।
বিশেষ্যপদেও রুশ বা হাঙ্গেরীয় ভাষার মতো কারকব্যবস্থা নেই।
প্রধান মৌলিক ক্রম হলো SVO:
Sarah called Daniel.
এর একটি সাধারণ মান্দারিন সমতুল্য বাক্যে কর্তা ক্রিয়ার আগে এবং কর্ম ক্রিয়ার পরে বসে।
শব্দের রূপ তুলনামূলকভাবে অপরিবর্তিত থাকে বলে অবস্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র।
কিন্তু মান্দারিন মানেই অপরিবর্তনীয় শব্দের একটি অনমনীয় ক্রম নয়।
ক্রিয়ার প্রকার আর কাল এক নয়
একটি ঘটনা কোন অবস্থায় আছে, তা বোঝাতে মান্দারিন অব্যয় ও অন্যান্য উপায় ব্যবহার করে:
- সম্পন্ন;
- চলমান;
- আগে অভিজ্ঞ হয়েছে;
- এখনও অব্যাহত।
এসবকে প্রায়ই ক্রিয়ার প্রকার বা aspect দিয়ে বর্ণনা করা হয়। এটি বোঝায়, কোনো ঘটনা কীভাবে ঘটছে বা তাকে কীভাবে দেখা হচ্ছে।
আলোচ্য বিষয়ভিত্তিক গঠন প্রচলিত
বাক্যের শুরুতে একটি আলোচ্য বিষয় থাকতে পারে, যা ঠিক করে দেয় বাক্যের বাকি অংশ কী নিয়ে বলা হচ্ছে।
আলোচ্য বিষয় সব সময় ব্যাকরণগত কর্তার সঙ্গে অভিন্ন নয়।
ফলে “প্রথম বিশেষ্যটিই কর্তা”—এই সরল নিয়মের ওপর নির্ভর করা যায় না।
bǎ গঠনে কর্ম ক্রিয়ার আগে বসে
মান্দারিনে এমন একটি গঠন ব্যবহার করা যায়, যাকে সাধারণত bǎ গঠন বলা হয়।
সরলভাবে এর বিন্যাস:
কর্তা + bǎ + কর্ম + ক্রিয়াপদগুচ্ছ
এই গঠনে কর্মকে প্রায়ই এমন কিছু হিসেবে তুলে ধরা হয়, যার ওপর ঘটনাটি বিশেষভাবে প্রভাব ফেলেছে, যাকে নিয়ে কাজ করা হয়েছে, বদলানো হয়েছে বা যার কোনো ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ফলে কর্ম মূল ক্রিয়ার আগে বসে, যদিও মান্দারিনকে সাধারণত SVO ভাষা হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
মান্দারিনে বহুবচন বোঝানো যায়
কখনও বলা হয়, মান্দারিনে “বহুবচন নেই”। কথাটি অতিরঞ্জিত।
প্রসঙ্গ থেকে বোঝা গেলে বচন প্রায়ই আলাদা করে চিহ্নিত করা হয় না। তবে বহুবচন বোঝানোর কয়েকটি উপায় মান্দারিনে আছে, যেমন:
- সংখ্যাবাচক শব্দ;
- পরিমাণবাচক শব্দ;
- শ্রেণিসূচক শব্দ;
- প্রসঙ্গভিত্তিক ব্যাখ্যা;
- কিছু মানববাচক বিশেষ্য ও সর্বনামের সঙ্গে সীমিতভাবে ব্যবহৃত -men বহুবচনচিহ্ন।
মান্দারিনে রূপবিকার তুলনামূলকভাবে কম হলেও, শব্দক্রম, অব্যয়, বিশেষ গঠন, শ্রেণিসূচক শব্দ, ক্রিয়ার প্রকারসূচক চিহ্ন ও কথোপকথনের প্রসঙ্গ মিলিয়ে একটি জটিল ব্যাকরণব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।
জাপানি: কারকসূচক অব্যয় এবং কর্তা ও আলোচ্য বিষয়ের পার্থক্য
জাপানি ভাষায় SOV ক্রমই প্রধান:
কর্তা – কর্ম – ক্রিয়া
একটি সরল উদাহরণ:
Sara-ga Daniel-o hometa.
সারাহ-কর্তৃকারক ড্যানিয়েল-কর্মকারক প্রশংসা করেছিলেন
“সারাহ ড্যানিয়েলের প্রশংসা করেছিলেন।”
-ga অব্যয়টি সাধারণত কর্তৃকারকের বা কর্তার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি পদগুচ্ছ চিহ্নিত করে।
-o অব্যয়টি সাধারণত প্রত্যক্ষ কর্ম চিহ্নিত করে।
বিশেষ্য পদগুচ্ছগুলো চিহ্নিত থাকে বলে কিছুটা ক্রমবদল সম্ভব, যদিও ক্রিয়া সাধারণত উপবাক্যের শেষের দিকে থাকে।
Wa শুধু আরেকটি কর্তাচিহ্ন নয়
জাপানি -wa-কে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রায়ই কর্তাচিহ্ন হিসেবে পরিচয় করানো হয়, কিন্তু এতে ভুল ধারণা তৈরি হয়।
এটি মূলত একটি আলোচ্য বিষয় বা বৈপরীত্যমূলক উপাদানকে চিহ্নিত করে।
ধারণাগতভাবে তুলনা করুন:
- ga ব্যাকরণগত কর্তাকে চিহ্নিত করতে বা পরিচয় করিয়ে দিতে পারে;
- wa কোনো কিছুকে আলোচ্য বিষয় হিসেবে তুলে ধরে বা অন্য বিকল্পের বিপরীতে রাখে।
আলোচ্য বিষয় ও কর্তা একই কিছুকে নির্দেশ করতে পারে, তবে তা হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
একটি বাক্যে আলোচ্য বিষয় এবং তার থেকে ব্যাকরণগতভাবে আলাদা একটি কর্তা—দুটিই থাকতে পারে।
জাপানি ভাষার তথ্যবিন্যাস বোঝার জন্য এই পার্থক্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অব্যয় বাদ পড়তে পারে
অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তায় প্রসঙ্গ থেকে সম্পর্কটি স্পষ্ট হলে কিছু অব্যয় বাদ দেওয়া হতে পারে।
অর্থাৎ, জাপানি শ্রোতারাও নির্ভর করেন:
- ক্রিয়ার অর্থ;
- প্রাণিবাচকতা;
- বক্তা ও শ্রোতা উভয়ের জানা তথ্য;
- আগের কথাবার্তা;
- প্রত্যাশিত শব্দক্রমের ওপর।
অব্যয় শক্তিশালী ব্যাকরণগত সংকেত, তবে তথ্যের একমাত্র উৎস নয়।
কোরীয়: বাহ্যিক বিন্যাসে মিল, তবে নিজস্ব ব্যাকরণব্যবস্থা
কোরীয় ভাষাতেও প্রধানত SOV ক্রম ব্যবহৃত হয় এবং বিশেষ্য পদগুচ্ছের পরে চিহ্ন বসে।
প্রচলিত চিহ্নগুলোর মধ্যে আছে:
- কর্তাসংক্রান্ত বা কর্তৃকারক চিহ্ন হিসেবে -i/-ga;
- প্রত্যক্ষ কর্মের জন্য -eul/-reul;
- আলোচ্য বিষয় বা বৈপরীত্যের জন্য -eun/-neun।
আগের শব্দের শেষ ধ্বনি অনুযায়ী চিহ্নটির সঠিক রূপ বদলে যায়।
জাপানির মতো কোরীয় ভাষাতেও প্রায়ই আলোচ্য বিষয় ও কর্তার মধ্যে পার্থক্য করা হয়।
আলোচ্য বিষয়ের চিহ্ন বোঝাতে পারে:
- বাক্যটি কী নিয়ে বলা হচ্ছে;
- অন্য কোনো সম্ভাবনার সঙ্গে বৈপরীত্য;
- কথোপকথনে আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত তথ্য।
কিছু সীমার মধ্যে শব্দক্রম নমনীয়
বিশেষ্য পদগুচ্ছে চিহ্ন থাকতে পারে বলে কোরীয় ভাষায় ফোকাস বা কথোপকথনে তথ্য সাজানোর প্রয়োজনে কিছুটা ক্রমবদল করা যায়।
তবে এর অর্থ এই নয় যে সব ক্রম সমান স্বাভাবিক। ক্রিয়া সাধারণত শেষে বসে, আর ভিন্ন বিন্যাসে ভিন্ন বিষয়ে জোর পড়তে পারে।
কথোপকথনে চিহ্ন বাদ পড়তে পারে
অনানুষ্ঠানিক কোরীয় ভাষায় কারকসূচক অব্যয়ের কাজটি বোঝা গেলে কখনও কখনও তা বাদ দেওয়া যায়।
তখন শ্রোতারা আরও বেশি নির্ভর করেন:
- প্রসঙ্গ;
- ঘটনাটি কতটা বাস্তবসম্মত;
- শব্দক্রম;
- স্বরভঙ্গি;
- ক্রিয়ার অর্থের ওপর।
বেশ কয়েকটি দিক থেকে জাপানি ও কোরীয় ভাষার গঠনে মিল আছে। তবে এই মিলকে ভাষা দুটির ঘনিষ্ঠ বংশগত সম্পর্কের প্রমাণ ভাবা উচিত নয়। গঠনগত সাদৃশ্য ও ঐতিহাসিক আত্মীয়তা আলাদা প্রশ্ন।
আধুনিক প্রমিত আরবি: শব্দক্রম, সংগতি ও কারক
আরবির ব্যাখ্যায় বিশেষ সতর্কতা দরকার, কারণ আধুনিক প্রমিত আরবি এবং কথ্য আরবির নানা রূপ একইভাবে কাজ করে না।
আনুষ্ঠানিক আধুনিক প্রমিত আরবিতে নিচের দুটি সাধারণ বিন্যাসই সম্ভব:
- ক্রিয়া–কর্তা–কর্ম, অর্থাৎ VSO;
- কর্তা–ক্রিয়া–কর্ম, অর্থাৎ SVO।
কোনটি বেছে নেওয়া হচ্ছে, তা সংগতি ও তথ্যবিন্যাসে প্রভাব ফেলতে পারে।
আনুষ্ঠানিক আরবিতে ব্যাকরণগত কারক আছে
সম্পূর্ণ স্বরচিহ্নযুক্ত ধ্রুপদি আরবি এবং আনুষ্ঠানিক আধুনিক প্রমিত আরবিতে শব্দের শেষে থাকা হ্রস্ব স্বরধ্বনি চিহ্নিত করতে পারে:
- কর্তৃকারক;
- কর্মকারক;
- সম্বন্ধকারক।
সহজভাবে বললে, এই শেষাংশগুলো ব্যাকরণগত ভূমিকা আলাদা করতে সাহায্য করতে পারে।
তবে এর সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতাও মনে রাখতে হবে।
সাধারণ আরবি লেখায় হ্রস্ব স্বরের চিহ্ন সাধারণত থাকে না
দৈনন্দিন অধিকাংশ আরবি লেখায় হ্রস্ব স্বরচিহ্ন দেখানো হয় না। ফলে অনেক কারক-বিভক্তিও চোখে পড়ে না।
কথ্য উপভাষায় পূর্ণ কারকব্যবস্থা মূলত অনুপস্থিত
আরবির দৈনন্দিন কথ্য রূপগুলোতে ধ্রুপদি কারক-বিভক্তির বেশির ভাগই হারিয়ে গেছে।
আনুষ্ঠানিক কথাতেও সব সময় এগুলো নিয়মিত উচ্চারিত হয় না
সতর্ক ও আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলার সময় বক্তারা কিছু কারক-বিভক্তি ব্যবহার করতে পারেন, আবার অন্যগুলো বাদ দিতে পারেন।
ফলে বাস্তবে অর্থ বোঝা প্রায়ই নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের সমন্বয়ের ওপর:
- শব্দক্রম;
- সংগতি;
- পূর্বসর্গ;
- সর্বনাম;
- ক্রিয়ার রূপগঠন;
- প্রসঙ্গ।
মূল ও ছকভিত্তিক শব্দগঠন আলাদা বিষয়
ব্যঞ্জনধ্বনিভিত্তিক মূলের সঙ্গে স্বরধ্বনি ও রূপগঠনের ছক মিলিয়ে একই পরিবারের শব্দ তৈরির জন্য আরবি সুপরিচিত।
এই ব্যবস্থা সম্পর্কিত ক্রিয়া, বিশেষ্য ও বিশেষণ গড়তে সাহায্য করে।
এটি আরবির শব্দগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। তবে বাক্যে কর্তা ও কর্ম কীভাবে আলাদা করা হয়—সেই নির্দিষ্ট প্রশ্নের সঙ্গে একে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
শব্দগঠন ও বাক্যে পদের কাজ ব্যাকরণের সম্পর্কিত দুটি অংশ, কিন্তু একই প্রক্রিয়া নয়।
হিন্দি: অনুসর্গ ও স্প্লিট এরগেটিভিটি
হিন্দিতে SOV ক্রমই প্রধান:
কর্তা – কর্ম – ক্রিয়া
এতে অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়। কাজের দিক থেকে এগুলো ইংরেজি পূর্বসর্গের মতো, তবে বিশেষ্য পদগুচ্ছের আগে না বসে পরে বসে।
ইংরেজি:
with Daniel
হিন্দিতে সাধারণ বিন্যাসটি হয়:
Daniel with
নির্দিষ্ট কিছু অনুসর্গের আগে বিশেষ্যটি তির্যক রূপেও বদলে যেতে পারে।
-ko চিহ্ন
-ko চিহ্নটি নির্দেশ করতে পারে:
- প্রাপক;
- লক্ষ্য বা গন্তব্য;
- কিছু নির্দিষ্ট প্রত্যক্ষ কর্ম।
তবে প্রত্যেক প্রত্যক্ষ কর্মের সঙ্গে -ko বসে না।
এর ব্যবহারে প্রভাব ফেলে:
- মানববাচকতা;
- প্রাণিবাচকতা;
- নির্দিষ্টতা;
- সুনির্দিষ্টতা;
- কথোপকথনে গুরুত্ব।
এটি ভেদমূলক কর্মচিহ্নায়নের উদাহরণ: কিছু কর্মে স্পষ্ট চিহ্ন থাকে, অন্যগুলোতে থাকে না।
-ne চিহ্ন
কিছু সম্পন্ন সকর্মক গঠনে কাজের সম্পাদকের মতো ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তির সঙ্গে -ne চিহ্ন যুক্ত হয়।
যেমন, শব্দাংশের সরল ব্যাখ্যাসহ:
Mira-ne Ram-ko dekha.
মীরা-এরগেটিভ রাম-কর্ম দেখেছিলেন
“মীরা রামকে দেখেছিলেন।”
-ne এমন কোনো সাধারণ কর্তাচিহ্ন নয়, যা সব কাল ও সব গঠনে ব্যবহৃত হয়।
এটি নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত শর্তে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে অনেক সম্পন্নতাসূচক সকর্মক উপবাক্যে।
স্প্লিট এরগেটিভিটি
হিন্দিতে স্প্লিট এরগেটিভিটি আছে বলে প্রায়ই বর্ণনা করা হয়।
এর অর্থ, ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করার পদ্ধতি বদলে যায় কয়েকটি বিষয় অনুযায়ী:
- ক্রিয়ার প্রকার;
- সকর্মকতা;
- উপবাক্যের গঠন।
একটি গঠনে যে ব্যক্তি সাধারণ চিহ্নহীন কর্তার মতো আচরণ করেন, অন্য গঠনে তাঁর সঙ্গে -ne যুক্ত হতে পারে।
তাই হিন্দিকে নিচের মতো সরল, স্থায়ী জোড়া দিয়ে নির্ভুলভাবে বর্ণনা করা যায় না:
- -ne মানেই সব সময় কর্তা;
- -ko মানেই সব সময় কর্ম।
এই ব্যবস্থা কারকচিহ্ন, ক্রিয়ার প্রকার, সংগতি, প্রাণিবাচকতা, সুনির্দিষ্টতা ও ক্রিয়ার গঠনের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে।
তুলনামূলক চিত্র
| ভাষা | প্রচলিত মৌলিক ক্রম | প্রধান সংকেত | মনে রাখার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |
|---|---|---|---|
| ইংরেজি | SVO | শব্দক্রম, সর্বনামের কারকরূপ, সহায়ক ক্রিয়া, পূর্বসর্গ | প্রশ্ন ও কর্মবাচ্যের উপবাক্যে সাধারণ বিন্যাস বদলে যায় |
| ফরাসি | SVO | তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট ক্রম, সর্বনাম, পূর্বসর্গ | কর্মবাচক সর্বনাম সাধারণত ক্রিয়ার আগে বসে |
| স্প্যানিশ | SVO | শব্দক্রম, ক্রিয়ার সমৃদ্ধ রূপবৈচিত্র্য, ব্যক্তিবাচক a, সর্বনাম | কর্তা বাদ পড়তে পারে এবং ফোকাস অনুযায়ী ক্রম বদলায় |
| হাঙ্গেরীয় | নমনীয়, প্রায়ই SVO | কারকসূচক প্রত্যয়, ক্রিয়ার রূপ, শব্দক্রম, স্বরভঙ্গি | নমনীয় ক্রম আলোচ্য বিষয়, ফোকাস ও বৈপরীত্য প্রকাশ করে |
| রুশ | নমনীয়, প্রায়ই SVO | কারক, সংগতি, শব্দক্রম, প্রসঙ্গ | বিশেষ্যের ধরন ও প্রাণিবাচকতা অনুযায়ী কর্মকারকের চিহ্ন বদলায় |
| মান্দারিন | SVO | শব্দক্রম, অব্যয়, বিশেষ গঠন, প্রসঙ্গ | আলোচ্য বিষয়ভিত্তিক ও bǎ গঠন সরল SVO বিন্যাস থেকে সরে যায় |
| জাপানি | SOV | কারকসূচক অব্যয়, আলোচ্য বিষয়ের চিহ্ন, প্রসঙ্গ | wa শুধু কর্তা নয়, আলোচ্য বিষয় বা বৈপরীত্য চিহ্নিত করে |
| কোরীয় | SOV | বিশেষ্যপদের চিহ্ন, আলোচ্য বিষয়ের চিহ্ন, ক্রিয়া-শেষ গঠন | প্রসঙ্গ যথেষ্ট স্পষ্ট হলে অব্যয় বাদ পড়তে পারে |
| আধুনিক প্রমিত আরবি | VSO ও SVO | সংগতি, আনুষ্ঠানিক রূপের কারক, শব্দক্রম, সর্বনাম | দৈনন্দিন কথা ও লেখায় পূর্ণ কারক-বিভক্তির ব্যবহার সীমিত |
| হিন্দি | SOV | অনুসর্গ, কারকচিহ্ন, সংগতি, ক্রিয়ার প্রকার | -ne ও -ko শুধু নির্দিষ্ট শর্তে ব্যবহৃত হয় |
এই সারণি প্রধান প্রবণতাগুলো দেখায়, চূড়ান্ত নিয়ম নয়।
SVO হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ কোনো ভাষায় অন্য ক্রমও হতে পারে। কারকচিহ্ন আছে এমন ভাষাতেও শব্দক্রম ব্যবহৃত হয়। অব্যয় আছে এমন ভাষায় সেগুলো বাদ পড়তে পারে। ক্রিয়ার রূপগঠন সমৃদ্ধ হলেও ভাষা প্রসঙ্গের ওপর নির্ভর করে।
ভাষাভেদে কাজের ভাগ আলাদা
ভাষাকে প্রায়ই এভাবে ভাগ করা হয়:
- অনমনীয় বা স্বাধীন;
- সরল বা জটিল;
- বিশ্লেষণধর্মী বা রূপবিকারসমৃদ্ধ;
- অবস্থাননির্ভর বা শব্দের শেষাংশনির্ভর।
এই তুলনাগুলো কাজে লাগতে পারে, তবে কেবল তখনই, যখন এগুলোকে পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা না ভেবে প্রবণতা হিসেবে দেখা হয়।
ইংরেজিতে শব্দক্রমের দায়িত্ব বেশি
সাধারণ ইংরেজি বিশেষ্যপদে দৃশ্যমান কারকসংক্রান্ত তথ্য কম থাকে বলে তাদের অবস্থান খুব গুরুত্বপূর্ণ।
Sarah called Daniel.
Daniel called Sarah.
ক্রমে সামান্য বদলেই ব্যাখ্যা বদলে যায়।
হাঙ্গেরীয় ও রুশ ভাষায় বিশেষ্যপদে বেশি তথ্য থাকে
কারকরূপের কারণে বিশেষ্য পদগুচ্ছের মধ্যেই ব্যাকরণগত সম্পর্ক আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ফলে শব্দক্রম আরও স্বাধীনভাবে বোঝাতে পারে:
- আলোচ্য বিষয়;
- ফোকাস;
- বৈপরীত্য;
- কোন তথ্য পুরোনো, কোনটি নতুন।
স্প্যানিশে তথ্য কয়েকটি ব্যবস্থার মধ্যে ভাগ হয়ে থাকে
স্প্যানিশ ব্যবহার করে:
- ক্রিয়ার শেষাংশ;
- কর্মচিহ্ন;
- সর্বনামের অবস্থান;
- শব্দক্রম;
- কথোপকথনের প্রসঙ্গ।
কোনো একটি সংকেত দিয়ে পুরো ব্যবস্থাটি ব্যাখ্যা করা যায় না।
ব্যাপক রূপবিকার ছাড়াই মান্দারিনে ব্যাকরণ গড়ে ওঠে
মান্দারিন বেশি নির্ভর করে:
- অবস্থান;
- ক্রিয়ার প্রকারসূচক চিহ্ন;
- অব্যয়;
- শ্রেণিসূচক শব্দ;
- বিশেষায়িত গঠন;
- প্রসঙ্গের ওপর।
ইউরোপীয় ধরনের ক্রিয়ার রূপান্তর না থাকা মানে ব্যাকরণগত জটিলতা না থাকা নয়।
জাপানি, কোরীয় ও হিন্দিতে বিশেষ্যের পরে সম্পর্ক চিহ্নিত হয়
এই ভাষাগুলোতে ব্যাকরণগত উপাদান প্রায়ই বিশেষ্য পদগুচ্ছের পরে বসে।
তবে তাদের অব্যয় ও অনুসর্গ এমন সরল লেবেল নয়, যা প্রতি বাক্যে যান্ত্রিকভাবে জুড়ে দেওয়া হয়। আলোচ্য বিষয়, বৈপরীত্য, প্রাণিবাচকতা, ক্রিয়ার প্রকার এবং উভয়ের জানা তথ্যের সঙ্গে মিলেই এগুলোর ব্যবহার নির্ধারিত হয়।
মূল উপলব্ধিটি হলো:
ভাষাগুলো শব্দ, শেষাংশ, অব্যয়, ক্রম, ক্রিয়ার রূপ ও প্রসঙ্গের মধ্যে তথ্য আলাদাভাবে ভাগ করে দিয়ে একই ধরনের যোগাযোগ-সমস্যার সমাধান করে।
“নির্দিষ্ট” ও “স্বাধীন” শব্দক্রম আপেক্ষিক ধারণা
ইংরেজিকে প্রায়ই নির্দিষ্ট শব্দক্রমের ভাষা বলা হয়, আর হাঙ্গেরীয় বা রুশকে বলা হতে পারে স্বাধীন শব্দক্রমের ভাষা।
কোনো নামকেই আক্ষরিক অর্থে নেওয়া উচিত নয়।
ইংরেজিতে অনেক বিন্যাস সম্ভব:
Sarah gave Daniel the book. — সারাহ ড্যানিয়েলকে বইটি দিয়েছিলেন।
Sarah gave the book to Daniel. — সারাহ বইটি ড্যানিয়েলকে দিয়েছিলেন।
The book was given to Daniel by Sarah. — বইটি সারাহর দ্বারা ড্যানিয়েলকে দেওয়া হয়েছিল।
What did Sarah give Daniel? — সারাহ ড্যানিয়েলকে কী দিয়েছিলেন?
এগুলো এলোমেলো ক্রমবদল নয়। প্রতিটিই একটি ব্যাকরণগত গঠন অনুসরণ করে।
একইভাবে, হাঙ্গেরীয় ও রুশ ভাষাতেও অর্থ, জোর বা স্বাভাবিকতা না বদলে ইচ্ছেমতো শব্দ সাজানো যায় না।
আরও নির্ভুলভাবে পার্থক্যটি হলো:
- কিছু ভাষায় ব্যাকরণগত ভূমিকা চেনাতে অবস্থানের ওপর বেশি নির্ভর করা হয়;
- অন্য কিছু ভাষায় তথ্য ও জোর সাজাতে অবস্থানের ওপর বেশি নির্ভর করা হয়;
- সব ভাষাতেই শব্দক্রম নিয়মতান্ত্রিক সীমার মধ্যে থাকে।
একই তথ্যের একাধিক সংকেত ত্রুটি নয়, বৈশিষ্ট্য
ভাষায় একই সম্পর্ক প্রায়ই একাধিকবার চিহ্নিত হয়।
একটি ইংরেজি বাক্যে কর্তা বোঝা যেতে পারে:
- ক্রিয়ার আগের অবস্থান থেকে;
- সর্বনামের কর্তৃরূপ থেকে;
- ক্রিয়ার সংগতি থেকে;
- সামগ্রিক গঠন থেকে।
স্প্যানিশে কর্তা বোঝা যেতে পারে:
- উচ্চারিত বিশেষ্য পদগুচ্ছ থেকে;
- সর্বনাম থেকে;
- ক্রিয়ার শেষাংশ থেকে;
- আগের কথোপকথন থেকে।
হাঙ্গেরীয় ভাষায় কর্ম চিহ্নিত হতে পারে:
- -t প্রত্যয় দিয়ে;
- নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট কর্মের সঙ্গে ব্যবহৃত ক্রিয়ার রূপ দিয়ে;
- শব্দক্রম দিয়ে;
- ক্রিয়ার অর্থ দিয়ে;
- প্রসঙ্গ দিয়ে।
একাধিক সংকেতের এই মিল যোগাযোগকে আরও নির্ভরযোগ্য করে।
শ্রোতা কোনো ধ্বনি শুনতে না-ও পারেন, আশপাশে শব্দ থাকতে পারে, অপরিচিত উচ্চারণ বুঝতে হতে পারে বা একটি সূত্র ভুল বুঝতে পারেন। আংশিকভাবে একই তথ্য দেওয়া একাধিক সংকেত তাঁকে অভিপ্রেত অর্থটি উদ্ধার করতে সাহায্য করে।
ভাষাশিক্ষার্থীর কী কী খেয়াল করা উচিত?
নতুন ভাষা শেখার সময় শুধু “এর মৌলিক শব্দক্রম কী?” জিজ্ঞেস করাই যথেষ্ট নয়।
বরং সূত্রগুলোকে গুরুত্বের ক্রমে সাজিয়ে দেখা বেশি কার্যকর।
১. শব্দক্রম দেখুন
- ক্রিয়া কোথায় আছে?
- তার আগে ও পরে কী আছে?
- এটি কি বিশেষ জোরহীন সাধারণ বাক্য, নাকি বিশেষ কোনো গঠন?
২. বিশেষ্যের সঙ্গে বা আশপাশে চিহ্ন খুঁজুন
- বিশেষ্যের সঙ্গে কি কারক-বিভক্তি আছে?
- কোনো অব্যয় আছে কি?
- পূর্বসর্গ বা অনুসর্গ আছে কি?
- মানববাচক বা নির্দিষ্ট কর্মের জন্য কি বিশেষ চিহ্ন ব্যবহৃত হচ্ছে?
৩. ক্রিয়া খেয়াল করুন
- এটি কি কর্তার পুরুষ বা বচন জানায়?
- এটি কি কর্মের সঙ্গে সংগতি রাখে?
- এটি কি ক্রিয়ার প্রকার, বাচ্য বা নির্দিষ্টতা বোঝায়?
- কোনো সহায়ক ক্রিয়া আছে কি?
৪. গঠনটি চিহ্নিত করুন
- বাক্যটি কর্তৃবাচ্যে, নাকি কর্মবাচ্যে?
- এটি কি প্রশ্ন?
- কোনো কিছুকে কি আলোচ্য বিষয় হিসেবে বা অন্য কিছুর বিপরীতে তুলে ধরা হচ্ছে?
- কর্মকে সামনে আনার কোনো বিশেষ গঠন আছে কি?
৫. ব্যাকরণগত ভূমিকা ও অর্থ আলাদা করে দেখুন
দুটি প্রশ্নই করুন:
- ব্যাকরণগত কর্তা কে?
- কাজের সম্পাদনকারী, অভিজ্ঞতাকারী, প্রাপক বা প্রভাবিত ব্যক্তি কে?
তাঁরা একই ব্যক্তি হতে পারেন, তবে তা হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
৬. প্রসঙ্গ কাজে লাগান
- আগে কী উল্লেখ করা হয়েছে?
- ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে কার কাজটি করার সম্ভাবনা বেশি?
- বক্তা কোন বিষয়ে জোর দিচ্ছেন?
- আপাতদৃষ্টিতে অনুপস্থিত কর্তা বা কর্ম কি কথোপকথন থেকে বোঝা যাচ্ছে?
অন্য সব ভাষায় সরাসরি ইংরেজি বাক্যের ছক বসানোর চেয়ে এই পদ্ধতি বেশি নির্ভরযোগ্য।
ব্যাকরণের নিয়ম থেকে সংকেতের সমন্বিত ব্যবস্থায়
প্রচলিত ব্যাকরণশিক্ষায় প্রায়ই আলাদা আলাদা নিয়ম তুলে ধরা হয়:
- ইংরেজিতে কর্তা–ক্রিয়া–কর্ম ক্রম ব্যবহৃত হয়।
- হাঙ্গেরীয় ভাষায় কর্মকে -t দিয়ে চিহ্নিত করা হয়।
- জাপানি ভাষায় -ga ও -o ব্যবহৃত হয়।
- স্প্যানিশে কর্তা বাদ পড়তে পারে।
- হিন্দিতে -ne ও -ko ব্যবহৃত হয়।
প্রতিটি কথার মধ্যে কিছু সত্য আছে, তবে কোনোটি দিয়েই একটি ভাষার সম্পূর্ণ বর্ণনা হয় না।
আরও কার্যকর প্রশ্নটি হলো:
এই ভাষা কোন কোন সংকেত দেয়, আর সেগুলো একসঙ্গে কীভাবে কাজ করে?
এভাবে দেখলে ব্যাকরণ আর ব্যতিক্রমের তালিকা থাকে না, হয়ে ওঠে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা।
শিক্ষার্থী তখন শব্দক্রম, শব্দের শেষাংশ, অব্যয়, সংগতি ও প্রসঙ্গকে আর বিচ্ছিন্ন বিষয় হিসেবে দেখেন না। এগুলো একই অন্তর্নিহিত সমস্যার ভিন্ন ভিন্ন সমাধান হয়ে ওঠে।
মূল কথা
ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি বা বস্তু, কাজ, অবস্থা ও ঘটনার পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝতে শ্রোতাকে সাহায্য করা ভাষার একটি অপরিহার্য কাজ।
ভাষা এটি করতে পারে:
- শব্দক্রমের মাধ্যমে;
- কারকচিহ্নের মাধ্যমে;
- অব্যয়ের মাধ্যমে;
- পূর্বসর্গ ও অনুসর্গের মাধ্যমে;
- ক্রিয়ার সংগতি দিয়ে;
- বাচ্য দিয়ে;
- তথ্যবিন্যাস দিয়ে;
- অর্থ ও প্রসঙ্গ দিয়ে।
কোনো প্রধান ভাষাই শুধু একটি উপায়ের ওপর নির্ভর করে না।
ইংরেজি অবস্থানের ওপর বিশেষভাবে বেশি গুরুত্ব দেয়। হাঙ্গেরীয় ও রুশ বিশেষ্যের রূপে আরও বেশি তথ্য প্রকাশ করে। স্প্যানিশে তথ্য শব্দক্রম, ক্রিয়ার রূপগঠন ও কর্মচিহ্নের মধ্যে ছড়িয়ে থাকে। মান্দারিন অবস্থানের সঙ্গে অব্যয় ও বিশেষায়িত গঠন মেলায়। জাপানি ও কোরীয় বিশেষ্যপদের চিহ্ন এবং আলোচ্য বিষয়ভিত্তিক গঠন ব্যবহার করে। আরবি শব্দক্রম, সংগতি এবং আনুষ্ঠানিক রূপে কারক একসঙ্গে কাজে লাগায়। হিন্দিতে এর সঙ্গে যুক্ত হয় ক্রিয়ার প্রকারনির্ভর কারকচিহ্ন ও ভেদমূলক কর্মচিহ্নায়ন।
ব্যবস্থাগুলো আলাদা, কিন্তু যোগাযোগের চ্যালেঞ্জ একই:
শ্রোতা কীভাবে বুঝবেন, ঘটনায় কারা জড়িত, কী ঘটেছে এবং তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক কী?
শিক্ষার্থীরা বিচ্ছিন্ন ব্যাকরণবিধির বদলে সংকেতের সমন্বিত ব্যবস্থা খুঁজতে শুরু করলে অপরিচিত ভাষা বিশ্লেষণ করা সহজ হয়—আর ভাষাগুলোর পার্থক্যও অনেক বেশি অর্থবহ হয়ে ওঠে।